আপনার পিসি স্লো কাজ করছে? হতে পারে এই অবস্থায় আপনি বিভিন্ন অপটিমাইজ সফটওয়্যার ব্যবহার করছেন—কিংবা সকল সাধারন সমাধান খোঁজার চেষ্টা করছেন, কিন্তু তারপরেও কি কোন কাজ হচ্ছে না? তাহলে বন্ধু এই অবস্থায় প্রয়োজন আপনার পিসির কিছু হার্ডওয়্যার আপগ্রেড করার। কিন্তু ঠিক কোন হার্ডওয়্যার আপগ্রেড করবেন? কীভাবে এবং কোথা থেকে শুরু করবেন? কোন আপগ্রেড করার মাধ্যমে আপনি কাঙ্ক্ষিত পারফর্মেন্স ফিরে পেতে পারবেন? আর কোনটির পেছনে দৌড়ীরে শুধু আপনার সময় নষ্ট হবে? এতো প্রশ্ন নিয়ে চিন্তা করবার কিছু নেই বন্ধুরা! কারন আমি তো আছি তাই না! তো চলুন জেনে নেওয়া যাক, ঠিক কোন আপগ্রেড করার মাধ্যমে আপনার পিসির সর্বাধিক পারফর্মেন্স ফিরে পেতে পারেন।
আপনার পিসির মেমোরি সাইজ আপগ্রেড করে সহজেই পিসির পারফর্মেন্স বাড়াতে পারেন। র্যাম বাড়ানো একটি সাশ্রয়ী মূল্যের আপগ্রেশান—তাছাড়া প্রায় সকল মেশিনের র্যাম বাড়ানো সম্ভব (কিছু ল্যাপটপেও র্যাম বাড়ানো সম্ভব)। আর সবচাইতে সুবিধার কথা হলো এই আপগ্রেডটি করতে তেমন কোন টেকনিক্যাল জ্ঞানের একদমই প্রয়োজন নেই। যদি আপনি কখনোই আপনার পিসি কেসিং খুলে না থাকেন, তবে সময় চলে এসেছে বন্ধু কিছু ইঞ্জিনিয়ারিং করে ফেলার!
সত্যি কথা বলতে, র্যাম আপগ্রেড করার মাধ্যমে প্রায় সকল পিসির পারফর্মেন্স তাত্ক্ষণিক ভাবে উন্নতিকরন করা সম্ভব—বিশেষ করে যদি আপনার পিসি স্লো কাজ করে। বিশেষ করে যে প্রোগ্রাম গুলো সবসময় র্যাম একটু বেশি খেতে ভালোবাসে যেমন- আপনার ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার বা গেমিং করার সময়, তো এই ক্ষেত্রে বেশি র্যাম থাকা মানে বেশি ভালো পারফর্মেন্স। এমনকি সাধারন ব্যাবহারের জন্যও, বেশি র্যাম সর্বদা বেশি ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ রান রাখতে সাহায্য করে। আর আপনার পিসিতে যতো বেশি র্যাম থাকবে এর মানে ততো বেশি ব্রাউজার ট্যাব ওপেন রেখে কাজ করতে পারবেন।
তাহলে এখন প্রশ্ন হচ্ছে, ঠিক কতটা র্যাম আপনার পিসির জন্য প্রয়োজনীয়? (আরো পড়ুন– কতটা র্যাম আপনার স্মার্টফোনের জন্য প্রয়োজনীয়?) এক কোথায় বলতে গেলে বর্তমানে আপনার পিসিতে ৪ জিবি র্যাম থাকতেই হবে। কিন্তু আপনি যদি বড় ধরনের পারফর্মেন্স উন্নতি দেখতে চান, তবে ৮ জিবি র্যাম আপনার জন্য সর্ব উত্তম হবে। আর আপনি যদি ভিডিও এডিটিং, গেমিং ইত্যাদির মতো কোন ভারি কাজ করতে চান তবে ১৬ জিবি র্যাম উত্তম হতে পারে। তাছাড়া র্যাম আপগ্রেড করার জন্য আরো কিছু ভালো টিপস পেতে এই পোস্টটি পড়তে পারেন।
